যাকারিয়া (আ.)
زَكَرِيَّاবার্ধক্যে সন্তান পাওয়া নবী
জন্ম ও মৃত্যু
জন্ম
জেরুজালেম অঞ্চলে জন্ম
মৃত্যু
প্রচলিত বর্ণনায় জেরুজালেমে শহীদ হন
জীবনী
যাকারিয়া (আ.) মরিয়ম (আ.)-কে মসজিদে নিবেদিত রেখে তাঁকে দেখাশোনা করেন। মিহরাবে অসময়ের রুজি দেখে তিনি ভাবেন আল্লাহ নিঃসন্তান ও বার্ধক্যের কারণে তাঁরও সন্তান দিতে পারেন। আল্লাহ তাঁর দোয়া কবুল করেন এবং ইয়াহইয়া (আ.)-র জন্ম দেন।
বিস্তারিত কাহিনি
যাকারিয়া (আ.) মসজিদের দায়িত্বে ছিলেন এবং মরিয়ম (আ.)-এর তত্ত্বাবধায়ক হন। মিহরাবে ঢুকে তিনি দেখেন তাঁর সামনে অসময়ের ফল রাখা — মরিয়ম (আ.) জানান, আল্লাহই তা দেন। এই দৃশ্য তাঁকে দেখায়, আল্লাহ তো যেকোনো অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারেন। বয়স প্রায় নিরানব্বই, স্ত্রীও বন্ধ্যা, তবু তিনি গোপনে আল্লাহর কাছে সন্তান প্রার্থনা করেন। ফেরেশতারা সুসংবাদ দেন তাঁর নাম হবে ইয়াহইয়া (আ.)। আশ্চর্য হয়ে তিনি চিহ্ন চাইলেন; তিন দিন তিনি কথা বলতে পারতেন না, কেবল ইশারায় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আল্লাহর নিয়ামত পূর্ণ হলে ইয়াহইয়া (আ.) জন্ম নেন।
মুজিজা ও বিশেষত্ব
- বার্ধক্যে ও বন্ধ্যা স্ত্রীর গর্ভে সন্তান লাভের সুসংবাদ।
- মরিয়ম (আ.)-এর কাছে অসময়ের রুজির প্রত্যক্ষণ।
- আশ্চর্য চিহ্ন হিসেবে তিন দিন কথা বন্ধ থাকা।
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা
- মরিয়ম (আ.)-এর দেখাশোনার দায়িত্ব।
- মিহরাবে অলৌকিক রুজির দেখা পাওয়া।
- দোয়া কবুল ও ইয়াহইয়া (আ.)-র জন্ম।
শিক্ষণীয়
- বয়স কোনো বাধা নয়; আল্লাহর কুদরত বড়।
- দোয়া গোপনে ও ধৈর্য ধরে করা উচিত।
- নেক সন্তান আল্লাহর সবচেয়ে বড় উপহার।
মূল শিক্ষা
প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও ঈমান রাখলে আল্লাহর কুদরত কাজ করে।
কুরআনে: সূরা আল ইমরান ৩৭–৪১