সুলাইমান (আ.)
سُلَيْمَانজিন, পাখি ও বায়ুর উপর কর্তৃত্বপ্রাপ্ত নবী
জন্ম ও মৃত্যু
জন্ম
জেরুজালেমে দাউদ (আ.)-এর ঘরে জন্ম
মৃত্যু
প্রচলিত মতে প্রায় ৫৩ বছর বয়সে ইন্তেকাল; মৃত্যুর পর জিনেরা বুঝতে পারে
জীবনী
সুলাইমান (আ.) পিতার কাছ থেকে ইলম ও প্রজ্ঞার উত্তরাধিকার পান এবং আল্লাহ তাঁকে বায়ু, জিন ও পশুর ভাষা বোঝার ক্ষমতা দান করেন। সাবা রানীর সঙ্গে পত্র ও দূতের আদান-প্রদানের কাহিনী কুরআনে বিস্তারিত আছে এবং শেষে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন।
বিস্তারিত কাহিনি
সুলাইমান (আ.) পিতার কাছ থেকে জ্ঞান ও ন্যায়বিচারের উত্তরাধিকার পান, এবং আল্লাহ তাঁকে বায়ু, জিন ও পশুর ভাষার উপর কর্তৃত্ব দেন। একবার একটি পিপিলিকার কথা তিনি শোনেন, যা তার সঙ্গীদের সতর্ক করে; তিনি হেসে আল্লাহর শোকর করেন। সাবা রানীর কাছে পত্র পাঠিয়ে তিনি তাওহিদের দাওয়াত দেন। উপহার ও প্রতারণার চেষ্টার পর রানী নিজে এসে সত্য দেখেন এবং ইসলাম গ্রহণ করেন। বায়তুল মুকাদ্দাস নির্মাণও তাঁর যুগে শুরু হয়। তবে রাজত্বের প্রদর্শনও তাঁর পরীক্ষা ছিল — শেষে তিনি নিজেকে বিনয়ের সঙ্গে আল্লাহর দিকে ফেরান।
মুজিজা ও বিশেষত্ব
- পশু-পাখির ভাষা বোঝার ক্ষমতা।
- বায়ু ও জিনের উপর কর্তৃত্ব লাভ।
- সাবা রানীকে ইসলামে আনয়ন।
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা
- পশু-পাখির ভাষা বোঝার ক্ষমতা লাভ।
- সাবা রানীর সঙ্গে পত্রালাপ ও তাঁর ইসলাম গ্রহণ।
- বায়তুল মুকাদ্দাস নির্মাণের সূচনা।
শিক্ষণীয়
- প্রতিটি নিয়ামত পরীক্ষা — শোকর দরকার।
- ক্ষমতা দিয়ে দাওয়াত দেওয়া যায়, জোর করে নয়।
- জ্ঞান ও ন্যায়বিচারই রাজত্বের আসল ভিত্তি।
মূল শিক্ষা
প্রচুর ক্ষমতার মধ্যেও বিনয় ও শোকর ধরে রাখতে হয়।
কুরআনে: সূরা নামল ১৫–৪৪