ইসহাক (আ.)
إِسْحَاقইবরাহিম (আ.)-এর পুত্র ও বরকতময় বংশের ধারা
জন্ম ও মৃত্যু
জন্ম
কনআনে ইবরাহিম (আ.)-এর বার্ধক্যে জন্ম
মৃত্যু
প্রচলিত মতে প্রায় ১৮০ বছর বয়সে হেবরনে ইন্তেকাল
জীবনী
ফেরেশতারা সুসংবাদ দিয়ে জানান যে ইবরাহিম (আ.) ও সারার ঘরে ইসহাক (আ.) জন্ম নেবেন, যাঁর থেকে ইয়াকুব (আ.)-এর বংশ বিস্তৃত হবে। তাঁকে ন্যায়পরায়ণ নবী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে এবং কনআন অঞ্চলে তিনি দাওয়াত দেন।
বিস্তারিত কাহিনি
ইবরাহিম (আ.)-এর বাড়িতে ফেরেশতারা আসলে সারা (আ.) আশ্চর্য হন — এত বয়সে সন্তান কীভাবে হবে? ফেরেশতারা জানান, এটি আল্লাহর অশেষ নিয়ামত। সেই সুসংবাদ অনুযায়ী ইসহাক (আ.) জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁর ঔরসে ইয়াকুব (আ.)-এর জন্ম হয়। তাঁকে কুরআনে 'সৎকর্মশীল ও নেক বান্দা' বলা হয়েছে। কনআন অঞ্চলে তিনি আল্লাহর একত্ববাদের শিক্ষা দেন এবং তাঁর বংশেই বনী ইসরাইলের বরকতময় ধারা চলমান থাকে।
মুজিজা ও বিশেষত্ব
- বার্ধক্য ও নিঃসন্তান অবস্থায় ফেরেশতাদের সুসংবাদে জন্ম।
- বরকতময় বংশের ধারা, যেখানে ইয়াকুব (আ.) ও বনী ইসরাইল।
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা
- ফেরেশতাদের মাধ্যমে জন্মের সুসংবাদ।
- কনআনে তাওহিদের দাওয়াত।
- ইয়াকুব (আ.)-এর মতো নেক সন্তানের ধারাবাহিকতা।
শিক্ষণীয়
- আল্লাহর দান বয়স বা কারণের গণ্ডিতে বাঁধা নয়।
- সুসংবাদে কৃতজ্ঞতা জানানো উচিত।
- সন্তানের চরিত্র গড়াই বংশের আসল সম্পদ।
মূল শিক্ষা
আল্লাহর সুসংবাদ সময়মতো আসে; ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হয়।
কুরআনে: সূরা হুদ ৬৯–৭৩