ইদ্রিস (আ.)
إِدْرِيسসত্যবাদী ও ধৈর্যশীল নবী
জন্ম ও মৃত্যু
জন্ম
আদম (আ.)-পরবর্তী যুগে, বাবিল অঞ্চলে
মৃত্যু
আল্লাহ তাঁকে জীবিত অবস্থায় উপরে উঠিয়ে নেন
জীবনী
কুরআনে ইদ্রিস (আ.)-কে 'সত্যবাদী ও নবী' বলা হয়েছে এবং আল্লাহ তাঁকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেন। তাঁকে লেখা-পড়া ও হিসাব-নিকাশের প্রথম শিক্ষক বলে বর্ণনা করা হয়।
বিস্তারিত কাহিনি
ইদ্রিস (আ.) আদম (আ.)-এর বংশধরদের মধ্যে প্রথম যুগের একজন নবী ছিলেন। কুরআন তাঁকে 'সত্যবাদী ও নবী' বলে সম্মান দিয়েছে এবং বলেছে আল্লাহ তাঁকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। বর্ণনায় এসেছে, তিনি এক আল্লাহর ইবাদত কায়েম করেন এবং মানুষকে সৎপথে ডাকেন। তাঁর যুগে মানুষ জ্ঞানচর্চায় পিছিয়ে ছিল; তাই তিনি লেখা, হিসাব-নিকাশ ও কারুশিল্পের শিক্ষা দেন। কুরআনে তাঁর নাম অল্প শব্দে এসেছে, কিন্তু এই অল্প বর্ণনাতেই সত্যবাদিতা ও ধৈর্যের একটি বড় দৃষ্টান্ত আছে।
মুজিজা ও বিশেষত্ব
- আল্লাহ তাঁকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেন।
- লেখা ও হিসাবের প্রথম শিক্ষক হিসেবে পরিচিতি।
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা
- মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদতের আহ্বান জানানো।
- লেখা ও জ্ঞানের শিক্ষা বিস্তার।
- আল্লাহর কাছে উচ্চ মর্যাদা লাভ।
শিক্ষণীয়
- সত্য কথা বলা ও ওয়াদা রাখা নবীদের প্রবল বৈশিষ্ট্য।
- জ্ঞান শেখানো সদকায়ে জারিয়ার মতো কাজ।
- কম সংখ্যক মানুষের মধ্যেও ধৈর্য ধরে দাওয়াত দিতে হয়।
মূল শিক্ষা
সত্যবাদিতা ও ধৈর্য মানুষকে উচ্চ মর্যাদায় পৌঁছায়।
কুরআনে: সূরা মারইয়াম ৫৬–৫৭