সব নবীর তালিকা

হারুন (আ.)

هَارُون

মূসা (আ.)-এর সহোদর ও মুখপাত্র

ফেরাউনের যুগমিসর

জন্ম ও মৃত্যু

জন্ম

মিসরে মূসা (আ.)-এর বড় ভাই হিসেবে জন্ম

মৃত্যু

প্রচলিত মতে প্রায় ১২৩ বছর বয়সে তূর পর্বত অঞ্চলে ইন্তেকাল

জীবনী

মূসা (আ.)-এর আবেদনের ফলে আল্লাহ তাঁর ভাই হারুন (আ.)-কে ও নবী হিসেবে পাঠান, যাতে তিনি কথায় সহায়তা করেন। বনী ইসরাইল মিসর ছাড়ার পর সোনার বাছুর পূজায় লিপ্ত হলে তিনি তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন।

বিস্তারিত কাহিনি

মূসা (আ.) আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, তাঁর ভাই হারুন (আ.)-কে সহযোগী করে দিন, কারণ তিনি বেশি সুন্দর ভাষায় কথা বলতেন। আল্লাহ দু'জনকেই নবুওয়াত দেন এবং ফেরাউনের দরবারে একসাথে পাঠান। ফেরাউন ভয় দেখায়, আবার চেষ্টা করে তাদের ধোঁকা দিতে; কিন্তু দুই ভাই মিলে আল্লাহর নির্দেশের কথা স্পষ্টভাবে বলেন। মূসা (আ.) তূর পর্বতে গেলে সামিরি লোকেরা সোনার বাছুর বানিয়ে পূজা শুরু করে। হারুন (আ.) যথাসাধ্য বাধা দেন, কিন্তু সম্প্রদায় শোনে না; মূসা (আ.) ফিরে এসে ভাইয়ের দাড়ি ধরে টানলে তিনি বুঝিয়ে বলেন কী হয়েছে।

মুজিজা ও বিশেষত্ব

  • মূসা (আ.)-এর দোয়ায় নবুওয়াত ও মুখপাত্রের সম্মান লাভ।
  • ফেরাউনের দরবারে নিরাপদে সত্যের প্রতিবাদ।

গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা

  • মূসা (আ.)-এর সঙ্গে ফেরাউনের দরবারে যাওয়া।
  • বাছুর পূজার প্রতিবাদ।
  • বনী ইসরাইলের নেতৃত্বে সহায়তা।

শিক্ষণীয়

  • ভালো বাচনভঙ্গিও দাওয়াতের শক্তি।
  • সহযোগিতা আল্লাহর কাজকে সহজ করে।
  • অন্যায়ের প্রতিবাদ না থামিয়ে শক্তি অনুযায়ী চালিয়ে যেতে হয়।

মূল শিক্ষা

সৎ কাজে সবার সহায়তা ও প্রকাশ্য প্রতিবাদ দরকার।

কুরআনে: সূরা ত্বা-হা ২৯–৩৪