দাউদ (আ.)
دَاوُودজাবুরপ্রাপ্ত রাজা ও নবী
জন্ম ও মৃত্যু
জন্ম
বাইতুল মুকাদ্দাস অঞ্চলে জন্ম
মৃত্যু
প্রচলিত মতে প্রায় ১০০ বছর বয়সে ইন্তেকাল
জীবনী
তালুতের সেনাবাহিনীতে তরুণ দাউদ (আ.) জালুতকে হত্যা করেন এবং পরবর্তীতে আল্লাহ তাঁকে রাজত্ব ও নবুওয়াত একসাথে দান করেন। তাঁর কণ্ঠে জাবুর নাজিল হয় এবং পাহাড়-পাখিরাও তাঁর সঙ্গে আল্লাহর তাসবিহে অংশ নিত।
বিস্তারিত কাহিনি
তরুণ বয়সে দাউদ (আ.) গালি থেকে পাথর নিক্ষেপ করে বিশাল জালুতকে গতিহীন করেন এবং তারপর তাকে হত্যা করেন। তালুত সেই বিজয়ের পর রাজকন্যা ও সম্পদের অঙ্গীকার রক্ষা করেন। আল্লাহ তাঁকে রাজত্ব ও নবুওয়াত একসাথে দেন এবং যাবুর কিতাব দেন। তাঁর কণ্ঠে কুরআন পড়ার সময় পাহাড় ও পাখিরা সঙ্গে তাসবিহ করত। তিনি রাতে অংশবিশেষ ইবাদত করতেন এবং দিনের কিছু অংশ রোজা রাখতেন। একবার দুই পক্ষের ঝগড়ায় তিনি নিজেই দ্রুত রায় দিয়েছিলেন, পরে আল্লাহ তাঁকে সতর্ক করেন — এতে বোঝা যায় বিচারকের ধৈর্য কত জরুরি।
মুজিজা ও বিশেষত্ব
- জালুতকে পরাজিতের পর রাজত্ব ও নবুওয়াত লাভ।
- পাহাড় ও পাখিরা তাঁর সঙ্গে তাসবিহে অংশ নিত।
- অত্যন্ত মধুর ও অনন্য কণ্ঠস্বর।
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা
- জালুতকে পরাজিত করা।
- রাজত্ব ও ন্যায়বিচারের দায়িত্ব।
- জাবুর প্রাপ্তি ও ইবাদতে মগ্নতা।
শিক্ষণীয়
- ছোট কাজেও ইখলাস থাকলে আল্লাহ বড় দায়িত্ব দেন।
- ক্ষমতা ও ইবাদত একসাথে চালানো যায়।
- বিচারে তাড়াহুড়ো নয়; শোনা ও যাচাই করা দরকার।
মূল শিক্ষা
ক্ষমতা ও ইবাদত একসাথে চালিয়ে নেওয়া যায় ন্যায়ের সঙ্গে।
কুরআনে: সূরা সাদ ১৭–২৬